ভালোবাসার গল্প: সৃষ্টিকর্তা

ভালোবাসার গল্প: সৃষ্টিকর্তা: তুমি আজকে যে বিষয়টা নিয়ে মন খারাপ করে আছো। সেটার সমাধান হয়তো আগামী কয়েকদিনে হয়ে যাবে। মন খারাপ হয়ে হতাশ হয়ে সৃষ্টিকর্তার প্রতি আজকে যে তুমি অভিযোগটা করেছ। সেটা তুমি তখনই বুঝতে পারবে যখন তুমি তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমার সমস্যার সমাধান টা উত্তম পন্থায় করে দিবে।

আরে বোকা তোমার সৃষ্টিকর্তা তো তিনি যিনি তোমার অগোচরে ভালটাই চিন্তা করে। তুমি একটু ভালোভাবে চিন্তা করে দেখো তো। তোমার সৃষ্টিকর্তা তোমার উপর কতটা রহম করেছে। তোমাকে পৃথিবীতে পাঠানোর আগেই তোমার মায়ের কাছে তোমার খাবারের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। তোমার সৃষ্টিকর্তা কতটা রহস্যময় তুমি জাননা। বসন্ত এলে তিনি গাছ থেকে পাতা গুলো জড়িয়ে গাছকে একেবারে শূন্য করে দেন। আবার শরৎ এর শুরুতে গাছে ফুলে সব আবার বরিয়ে দেন।

তিনি তোমার সৃষ্টিকর্তা, যিনি বর্ষার শেষে সবুজের মাঠ চেয়ে খাদ্য শস্য উৎপাদিত করেন, তোমাকে খাওয়ানোর জন্য। আপনি একটু ভালো করে দেখতেন এবং দেখতেন যে সমুদ্রের বিশালতা জুড়ে সুন্দর জোয়ারের ব্যবহার কে করেছে, কত একঘেয়ে তিনি নদীর তীর ভেঙে চর করে। আবার চর ভেঙে নদী করে। মেঘ ভেঙে বৃষ্টি ঝরায় আবার বৃষ্টির পানি থেকে মেঘ বানাই।

ভালোবাসার গল্প:

তিনি আসলে ভাঙ্গা গড়ার কারিগর। তিনি যেই সমুদ্রের মধ্যে তিমির মত বিশাল মাছ পালন করেন। সেই সমুদ্র ছোট ছোট মাছ ও পালন করে। বনের ভেতরে বাঘ আর সিংহ কে রেখে সেই বনের মধ্যেই হরিণকে জন্মদেই। কখনো হতাশ হইও না। তোমার সৃষ্টিকর্তা আসলেই ভাঙ্গা আর গড়ার কারিগর। তিনি তোমাকে দুঃখ দিবেন, কষ্ট দিবেন এবং না পাওয়ার তীব্র যন্ত্রণা দিবেন। তারপর যখন তুমি ধৈর্যশীল হয়ে উঠবে। তখন দেখবে তোমার সৃষ্টিকর্তা দায়িত্ব নিয়ে তোমাকে একটা এমন কিছু দিয়ে দিবে যাতে তোমার জীবনটা নিয়ে যাবে। কারণ তিনি আসলেই রহস্যে ঘেরা ভাঙ্গা গড়ার কারিগর।

Leave a comment