এই পৃথিবীতে রিজেকশন সহ্য করতে শিখতে হবে :

এই পৃথিবীতে রিজেকশন সহ্য করতে শিখতে হবে : জীবন রিজেকশন সইতে পারাটাও অনেক বড় ধরনের একটা শিক্ষা। আপনি আপনার ছোট্ট গন্ডিতে বসে ভাবছেন, অনেক বড় কিছু হয়ে গেছেন। আপনি আপনার গণ্ডি থেকে বের হয়ে বাইরের পৃথিবীতে যান। আপনার আপনার অবস্থান টা ঠিক কোন জায়গায়। রিয়ালিটি শো থেকে যখন একটি প্রতিযোগি বাদ পড়ে যায় তখন তাকে বিচারকরা বলে গো হোম। তার মানে হচ্ছে, ঘরে বসে নিজেকে মূল্যায়ন করা যায় না।

একটা কবিতা লিখে আমরা ভাবছি আমরা দুনিয়া সাধন করে ফেলেছি। আয়নায় তাকিয়ে আমরা নিজেকে ভাবছি। আমরা অনেক বড় মাপের কিছু একটা হয়ে গেছি কিন্তু আপনি বা আমরা বের হয়ে দেখি আপনি বা আমরা কেউ নন। পৃথিবীর চোখ আমরা খুব তুচ্ছ এবং ছোট্ট একটা মানুষ। আপনি নিজের কাছে নিজে খুব সহজেই প্রমাণ করতে পারবেন এই বিষয়টা। পৃথিবীর চোখে যদি তুমি কাতারে দাঁড়াতে চাও তাহলে অবশ্যই তোমাকে যোগ্য হতে হবে। কারণ যোগ্যতাসম্পন্ন লোক ছাড়া পৃথিবী কোন মানুষকে হিসাব করতে চায়না।

সত্তিকারের মূল্যটা আসবে আমাদের অনেকটা ফাইট করে। ঘরে বসে আমরা নিজের মূল্যায়নটা আনতে পারবো না। পৃথিবীর যখন তোমার কাজের প্রশংসা করতে শুরু করবে। পৃথিবী যখন তোমার কাজের বিবেচনা করতে শুরু করবে। হাজার মানুষ যখন তোমাদের মন্দ বা প্রশংসা করতে শুরু করবে তখন ভাব্বে পৃথিবী তোমাকে গুনতে শুরু করছে। তোমার একটা খারাপ বলা দাঁড়ায় কারো কাছ থেকে যাবে না।

৫ জন মানুষ তোমার পিছনে তোমাকে গালি দিল। তা দিয়ে তোমার যোগ্যতা পরিমাপ করা যায় না। তুমি করছো তারমানে তোমার দলে কিছু লোক থাকবে এবং তোমার বিরোধী কিছু লোক থাকবে। এখন বিরোধীদের গালাগালিতে যদি তুমি থেমে যাও তাহলে পৃথিবীর গণনায় তুমি হারিয়ে যাবা। পৃথিবীর যোগ্যতা ছাড়া কোন মানুষকে চান্স তো দূরের কথা গুনতেও রাজি নন। একটা মানুষকে পৃথিবী তখনই গণনায় তুলবে যখন একটা মানুষ হাজার মানুষের অবজ্ঞা অবহেলা সহ্য করে নিজের কাজের প্রমাণ দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবে। এই পৃথিবীতে

Leave a comment