এই পৃথিবীতে রিজেকশন সহ্য করতে শিখতে হবে ২য় পর্ব:

এই পৃথিবীতে রিজেকশন সহ্য করতে শিখতে হবে ২য় পর্ব: তাই তুমি তখনি নিজেকে প্রমাণিত করতে পারবা। পৃথিবীর কাছে পৃথিবীর চোখে তখনই তুমি গণনায় আসতে পারবা। যখন হাজারটা মানুষের দেওয়া অবজ্ঞা সহ্য করে নিজের কাজের জন্য বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে। একটা জিনিস মনে রাখবা সফলতা যেমন মিষ্টি সেটা অর্জন করাটা ঠিক ততটাই কঠিন। ইন্টারেস্টিং ভাবে সব সময় আমরা রিজেকশন এর দিকে তাকিয়ে থাকি। কে কিভাবে চাকরি হারানোর আমাদের সমাজে, আগে থেকে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল। কে এডমিশন টেষ্টে টিকে নাই। এইসব বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের মধ্যে যথেষ্ট কৌতুহল কাজ করে।

আগে কোথায় প্রার্থী সিলেক্ট করা ছিল। প্রশ্ন করে ঝামেলা পাকায় দিছে। এইখানে বা ঐখানে প্রশ্ন আগেই ফাস করে দিছে সেই জন্য আমাদের এডমিশন টেস্ট টা ভালো হয় নাই। ওই ছেলে ওই মেয়েকে প্রপোজ করে রিজেকশন খেয়ে গেছে। এগুলার দেখে আমরা ইন্টারেস্টিং ভাবে তাকিয়ে থাকি। মূল সমস্যাটা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করি না। দেখো এত এত ঝামেলার ভেতর দিয়েও কিছু কিছু মানুষ সমাজে অনেক ভালো করছে।

তাই তুমি কিভাবে ভালো করবে সেই জিনিসটাকে ফোকাস করো। দেখবেন পরবর্তী সময়ে তোমাকে রিজেকশন করার সাহস পাবে না কেউ। কারণ তুমি যোগ্য হলে পৃথিবী তোমাকে প্রত্যাখ্যান করার মত সাহস পৃথিবীর ও নাই। সব সময় পৃথিবীর তোমাকে যোগ্যতা টা দেখতে চাইবে। তবে হ্যাঁ, কয়েকজন না, গুটি সংখ্যক না, একটা বড় জাতি বাটপারি করে হয়তো আগাতে পারবে কিন্তু পৃথিবীর গণনায় আসতে হলে তোমাকে অবশ্যই যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

কারণ পৃথিবী তোমাকে ঘুষ দিয়ে গুনবে না। যোগ্যতা থাকলেই তোমাকে গুনবে। আধার বাইশ তুমি পৃথিবীর গণনায় আসতে পারবে না। আসতে পারলেও তুমি ভালো মানুষ গুণী মানুষ গণনায় উঠতে পারবে না। পৃথিবীর চোখে যখন তুমি গণনায় যাবেন। এই পৃথিবীতে রিজেকশন

Leave a comment